Tuesday , October 16 2018

আমার সাথেই কেন সবসময় এমন হতে হবেঃ আশরাফুল

দলের পঞ্চপান্ডবের কেউ ভালো নেই। তবুও খেলবেন ৩ জন। আবার নতুন কিছু মুখের সুযোগ দেওয়া কথাও শোনা যাচ্ছিল।কিন্তু না র‌্যাঙ্কিং ও কিছু বিষয় মাথায় রেখে তেমন ঝুঁকি নেয়নি বিসিবি। একজনই সাকুল্যে দলভুক্ত হতে যাচ্ছেন।

সৌম্য সরকার আর ইমরুল কায়েস দুজনই বাঁ-হাতি। এশিয়া কাপে শেষ মুহূর্তে দলে ঢোকা ইমরুল-সৌম্যর স্কোয়াডে থাকা একরকম নিশ্চিত। তাই মিডল অর্ডারে সাকিবের বদলে বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানের আর দরকার নেই। তারপরও ১৫ জনের দলে এশিয়া কাপ খেলা ১৭ জন থেকে অন্তত দুই বা তিনজন বাদ যাবেন।কিন্তু এবারো আশরাফুলকে নেয়া হলো নাহ স্কোয়াডে,জাতীয় লীগে একের পর এক ভাল পারফরম্যান্স দিয়েও জায়গা হলো নাহ এই টাইগারের।

এর মধ্যে অধিনায়ক মাশরাফি, মোস্তাফিজ, রুবেলের সাথে চতুর্থ পেসার হিসেবে ছিলেন আবু হায়দার রনি প্রায় অটোমেটিক চয়েজ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে হয়তো দুজন পেসারও খেলানো হতে পারে, তারপরও ব্যাকআপ হিসেবে চার পেসার নিতেই হবে।

স্পিনার কোটায় মেহেদি মিরাজ ও নাজমুল অপু ছিলেন, এবারও থাকবেন। এখন দেখার বিষয়, ব্যাটসম্যান ক’জন থাকেন। চার পেসার ও দুই স্পিনার মিলিয়ে ছয়জন নিশ্চিত। এর বাইরে মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর ওপেনার লিটন দাস এখন অটোমেটিক চয়েজ বনে গেছেন। এশিয়া কাপে একজোড়া হাফ সেঞ্চুরি হাঁকানো মোহাম্মদ মিঠুনের দলে থাকাও অনেকটাই নিশ্চিত। ১৫ জনের দল হলে আরও তিনজন ক্রিকেটার প্রয়োজন।

সেই তিনটি পজিসনের জন্য লড়াইয়ে ছিলেন বাঁ-হাতি ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত, মিডল অর্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মুমিনুল হক আর আরিফুল হক। এই চারজনের মধ্যে যে কোন দুজনার বাদ পড়ার সম্ভাবনা যথেষ্ঠই।

তবে এশিয়া কাপে সুবিধা করতে না পারলেও জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডে ‘বিগ হান্ড্রেড’ উপহার দিয়ে দলে অবস্থান প্রায় মজবুত করে ফেলেছেন শান্ত।এখন মোসাদ্দেক, মুমিনুল আর আরিফুলের যে কোন একজন হয়তো দলে থাকবেন। আর একজন নতুন। তিনি কে? সেই একজন হচ্ছেন সর্বশেষ ৫ ম্যাচে ৫ সেঞ্চুরি হাকাঁনো রাজশাহীর মিজানুর।

তার মানে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সম্ভাব্য স্কোয়াড দাঁড়াচ্ছে: মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল ইসলাম অপু, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, আবু হায়দার রনি ও মিজানুর রহমান।

Facebook Comments