বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ইনজুরির ঝুকি নিয়েই খেলেছিলেন এশিয়া কাপে, তবে এশিয়া কাপে মারাত্মক ইনজুরিতে পরে মাঝামাঝি সময়েই দেশে ফিরে হাসপাতালে ভর্তি হন।
হাসপাতাল থেকে অবস্থা খারাপ হ্ওয়ায় দ্রুত অস্ট্রেলিয়া যান তিনি। সেখানে ৯ দিন অবস্থানের পর আজ সকালে দেশে ফিরেছেন এ তারকা ক্রিকেটার।
রোববার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে মেলবোর্ন-সিঙ্গাপুর হয়ে রাজধানীর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।
যে শঙ্কা নিয়ে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন তা দূর করেই দেশে ফিরলেন তিনি। কেননা, সেখানের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন আঙুলের ইনফেকশন অনেকটাই ভালোর দিকে। সহসাই আর কোনো সমস্যা না হলে মাস তিনেকের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে মাঠে নামতে পারবেন তিনি।
দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাকিব বলেন, ‘আঙুলের সমস্যাটা আসলে এমন একটা ব্যাপার যেটার কোনো বাঁধাধরা সময় নেই। হতে পারে যে সামনের মাসেও খেলতে নেমে যেতে পারি। এখন হাতে ব্যথা নেই, খুব ভালো অনুভব করছি। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আমার হাতের সঞ্চালন ক্ষমতা ও শক্তি কত দিনে ফিরে আসে। রিহ্যাবের মাধ্যমে তাড়াতাড়ি ফিরে আসতে পারে। যদি আসে তাহলে সামনের মাসেও খেলতে পারি। আবার রিহ্যাবের পর যদি ব্যথা অনুভব করি তাহলে আবার অপেক্ষা করতে হবে যে কখন সার্জারি করতে পারব।’
সাকিব বলেন, ‘পুরো ব্যাপারটাই আসলে একটা অনিশ্চিত ঘটনা। তবে একটা জিনিস ভালো যে ইনফেকশন হবার পর এখন সেটা কমে গেছে। এখন সার্জারি বাদেও খেলা যেতে পারে। যদি সেটা হয় তাহলে সেটা হবে সব থেকে ভালো অপশন। কিন্তু এটাও নিশ্চিত করে বলাটা মুশকিল। বললাম যে হতে পারে একমাস পরেও খেলতে পারি আবার ছয় মাসও লাগতে পারে। আশা করি একমাস পরই খেলতে পারব। তারপরও যেহেতু আঙুলের শক্তি ফেরত আসার ব্যাপার আছে। এক মাসে হয়তো হবে না। একটু বেশিই সময় লাগবে।’
আলোর খবর
