শোকের ছায়া- মৃত্যু বলতে জীবনের সমাপ্তি বোঝায়। জীববিজ্ঞানের ভাষায় প্রাণ আছে এমন কোন জৈব পদার্থের জীবনের সমাপ্তিকে মৃত্যু বলে। অন্য কথায়, মৃত্যু হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যখন সকল শারিরীক কর্মকাণ্ড যেমন শ্বসন, খাদ্য গ্রহণ, পরিচলন ইত্যাদি থেমে যায়।

মৃত্যু এমন এক সত্য যা আমরা কখনোই চাই না। বজ্রঘাতের মতোই মানুষের জীবনে মৃত্যুও হঠাত আসে। আপনজন হোক বা অন্য কেউ, মৃত্যু সবসময়ই দুঃখের। আমারা প্রতিদিন যে সিনেমা দেখে আনুন্দ উপভোগ করি তার চরিত্ররাও আমাদের মনে জায়গা করে নেয়, তাই তাদের কারুর মৃত্যু সংবাদও আমাদের মনে আঘাত করে।

চলচ্চিত্র, সিরিয়ালে তারা তাদের অভিনয় দিয়ে আমাদের জীবনকে রঙিন করে তোলে। তাদের মৃত্যুর খবর বা তাদের পরিবারের কারুর মৃত্যুর খবর আমাদের মনকে ব্যথিত করে তোলে।

সেই রকমই বচ্চন পরিবারের এক সদস্য ইহাজগতের মায়া ত্যাগ করে পরলোকগমন করলেন।

অমিতাভ বচ্চন হলেন একজন জনপ্রিয় ভারতীয় চলচিত্র অভিনেতা। ১৯৭০-এর প্রথম দিকে তিনি বলিউডে “রাগী যুবক” হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। অমিতাভ ‘বিগ বি’ নামেও পরিচিত। বলিউডের শাহেনশাহও বলা হয় তাকে। বচ্চনকে ভারতীয় চলচ্চিত্র তথা বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী অভিনেতা হিসেবে গণ্য করা হয়।

অমিতাভ বচ্চনের মেয়ে শ্বেতার শশুর রজন নন্দার মৃত্যুতে শোকাহত বচ্চন পরিবার। কিছুদিন আগে ভারতের গুরগাঁওয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। সেখানেই তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। রজন নন্দা একজন নামী ব্যবসায়ী ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুর খবর যদিও নন্দা পরিবার কিংবা বচ্চন পরিবারের থেকে প্রকাশ্যে আসেনি। হয়ত বচ্চন পরিবার বা তার মেয়ের পরিবার সবকিছু প্রকাশ না করেই নিজের মতো করে সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন। মিডিয়ার প্রভাবে হইচই হোক তা চাননি।

ঋষি কাপুরের মেয়ে ঋদ্ধিমা কাপুরের ইনস্টাগ্রাম পোস্টের জেরে খবরটি প্রকাশ্যে আসে। তিনিই প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় এটি পোস্ট করেন। রজন নন্দার একটি ছবি আপলোড করে তিনি লিখেছেন, “তুমি সারাজীবন কিংবদন্তী ছিলে আর থাকবে। এতো ভালোবাসা দেওয়ার জন্য আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ আঙ্কেল। তোমায় সবসময়ে মনে পড়বে।”
রজন নন্দা সম্পর্কে ঋষি কাপুরের জামাইবাবু ছিলেন। ঋদ্ধিমার পোস্টের কিছুক্ষণ পরই অমিতাভ বচ্চনও একজন ফ্যানের ট্যুইট শেয়ার করে খবরটি নিশ্চিত করেন
আলোর খবর
