কেউ খুলতে পারেনি এই তালা- সাধারণত নিরাপত্তা জনিত কারণের জন্য ব্যবহার করা হয় তালার। আর তালা খোলা বন্ধ করার রাস্তা বলতে নির্দিষ্ট চাবিই একমাত্র উপায়।
কিন্তু কখনও কি এমনও শুনেছেন যে চাবি থাকা সত্ত্বেও খুলছেনা তালা, এমনকি কারোরই সাধ্যি নেই সেই তালা খোলার। আজ্ঞে হ্যাঁ, আজ এই প্রতিবেদনে তুলে ধরবো এমনই এক তালার কাহিনী যা খুলতে হার মেনেছেন বড় বড় কারিগররাও। এই ঐতিহাসিক তালার বয়স প্রায় ৭৮ বছর।
বিহারের বেটিয়া জেলায় বর্তমানে সংরক্ষণ করে রাখা আছে তাকে। এই তালার পিছনে রয়েছে এক লম্বা ইতিহাস। নারায়ণ শর্মা নামে এক কারিগড়ের হাতে তৈরী এই তালা।
পরবর্তীকালে তিনি মারা গেলে তার পুত্র লালাবাবুর সংরক্ষণে ছিলো এটি। আর লালাবাবুর দেওয়া বয়ান অনুযায়ী তিনিই একমাত্র এই তালাটি খুলতে সক্ষম হয়েছিলেন।
পরবর্তীকালে এক লৌহ প্রদশর্নীতে তালাটিকে পেশ করেন লালাবাবু, সেখানে তালাটির মধ্যে অন্যরকম বৈচিত্র দেখে খোদ গোদরেজের মতো কোম্পানি সেই তালাটি কেনার জন্য ইচ্ছাপ্রকাশ করে, তবে লালবাবু সেখানে অমত দিলে অবিক্রিত অবস্থাতেই থেকে যায় তালাটি। তারপর আর সেই তালাটিকে খোলা সম্ভব হয়নি আর কখনও।
এমনকি এও শোনা যায় চাবি থাকা সত্ত্বেও সেই তালাটিকে খোলা সম্ভব হয়নি। তালাটি খোলানোর জন্য জাপান থেকে কারিগড় নিয়ে আসা হলেও, তিনিও ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেছেন।
এটার বৈজ্ঞানীক ভিত্তি হয়তো বা আছে অনেক কারণ, কিন্তু সাক্ষ্যাৎ কারিগড়র এই তালা খুলতে না পারার কারণে ঘটনাটিকে কাকতালীয় বলেও দাবি করেন অনেকে।
আলোর খবর
