Sunday , October 14 2018

যে দশ পেশার পুরুষের প্রতি নারীরা দুর্বল

যে দশ পেশার পুরুষের প্রতি- পুরুষের বিশেষ কিছু পেশার প্রতি নারীদের আকর্ষণ রয়েছে। রুচিভেদে এর তারতম্য রয়েছে। রিলেশানশিপ ম্যানেজমেন্ট সংস্থা ‘আ হার্ট টু উইন’ পরিচালিত একটি সমীক্ষা দাবি করছে ১০টি পেশার পুরুষদের মেয়েদের বিশেষ নজরে দেখে।

কোন ১০টি পেশার প্রতি মেয়েদের আকর্ষণ? জেনে নিন-

১. ফটোগ্রাফার: বয়ফ্রেন্ড তার সুন্দর সুন্দর ছবি তুলুক, এটা কোন মেয়ে না চাইবে! কাজেই ফটোগ্রাফারদের প্রতি আলাদা আকর্ষণ মেয়েদের থাকেই।

২ শেফ: প্রেমিক বা বর যদি ভাল রাঁধতে জানে, তা হলে তা যে কোনও মেয়ের পক্ষেই আনন্দের। তা ছাড়া নামজাদা শেফদের রোজগারও প্রচুর।

৩. সেনাকর্মী: দেশরক্ষার মতো মহৎ কাজে যিনি নিজেকে সঁপে দিয়েছেন, সেই পুরুষের কাছে হৃদয় হারাতে প্রস্তুত থাকবে অনেক মেয়েই।

৪ পাইলট: আকাশের কাছাকাছি উ়়ড়ে বেড়ানোই পাইলটদের কাজ। অ্যাডভেঞ্চার, রোম্যান্স, অর্থ— কী নেই এই পেশায়। পাইলটরা তাই সহজেই জিতে নেন মেয়েদের মন।

৫. ডাক্তার: মানবসেবার ব্রতে এঁরা নিবেদিত। ডাক্তারদের তাই বরাবরই একটু আলাদা নজরে দেখে মেয়েরা।

৬. ব্যবসায়ী: ব্যস্ততায় ডুবে থাকা, একটু একটু করে নিজের ব্যবসার শ্রীবৃদ্ধি ঘটানো, পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের আর্থিক উন্নতি— একজন ব্যবসায়ীর এই সমস্ত লক্ষণকে ভাল না বেসে মেয়েরা পারে না।

৭. গায়ক: একটা গান যত সহজে মানুষের মন জিতে নিতে পারে, তার তুলনা হয় না। স্বভাবতই গায়কদের প্রতি মেয়েরাও একটু আলাদা দুর্বলতা অনুভব করে।

৮. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার: ইঞ্জিনিয়ার তো এখন পাড়ার অলিতে-গলিতে। তাদের মধ্যেই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি একটু বেশি আকৃষ্ট হয় মেয়েরা।

৯. সাহিত্যিক: বই পড়ার চল কমে গিয়ে থাকতে পারে, কিন্তু প্রেমিক কিংবা স্বামী হিসেবে এখনও অনেক মেয়েই সাহিত্যিকদের পছন্দ করে।

১০. অভিনেতা: অভিনেতাদের কে না পছন্দ করে! নিজের ভালবাসার মানুষ হিসেবেও তাই অভিনেতাদের বেছে নিতে চায় মেয়েরা।

সকালে যে ১০টি কাজ কখনই করবেন না। আর করলে কি হবে তা জেনে নিন

সকালের শুরুটা ভাল হলে সারা দিনটিই ভাল জায়। তাই সকালে এমন কিছু করবেন না, যাতে পুরো দিন নষ্ট হয়। সকালের শুরুটা ভাল হলে সারা দিনটিই ভাল জায়।

তাই সকালে এমন কিছু করবেন না, যাতে পুরো দিন নষ্ট হয়।সকালে ঘুম্থেক উঠে কী করলে সারা দিন আপনি ফুরফুরে মেজাজে থাকবেন আজ আলোচনা করবো সেইসব বিষয় নিয়ে।

১. আমরা অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠার জন্য অ্যালার্ম দিয়ে ঘুমাই। এবার অ্যালার্ম দিলে কখনোই স্নুজ মোড দিয়ে রাখবেন না।তার ফলেএকটু পরপর অ্যালার্ম বাজবে আর আপনি বারবার বন্ধ করে আবার ঘুমাবেন। এতে আপনার ঘুম পরিপূর্ণ হবে না।

২.সকালে বিছানা ছেড়ে উঠার আগে পা সোজা করে, হাত টানটান করে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন। এরপর উঠে বসুন। যার ফলে সারা দিন আপনি সতেজ অনুভব করবেন।

৩. সকালে উঠেই কখনো মোবাইল চাপাচাপি করবেন না। এতে কারন এতে আপনার মস্তিষ্কের ওপর চাপ পরবে।

৪. ঘুম থেকে উঠেই সবার আগে চা একদম নয়। রাতে খাবার পর দীর্ঘক্ষণ না খাওয়ার ফলে আমাদের শরীর অ্যাসিডিক হয়ে থাকে। ফলে দুধ-চিনি দেয়া চা বা কফি আমাদের শরীরকে আরও অ্যাসিডিক করে তোলে। তার বদলে বেশ খানিকটা পানি, লাইম জুস খেতে পারেন।

৫. সকালে ঘুম থেকে উঠে কখনো বিছানা অগোছালো রেখে বাইরে যাবেন না। বিছানাটা চট করে গুছিয়ে বাসা থেকে বের হউন।কারন বাসা থেকে বের হওয়ার সময় পরিষ্কার রুম দেখলে মনটা অনেক ফুরফুরে থাকবে।

৬.অনেকে ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে জিমে দৌড়ান, যা একেবারেই করা উচিৎ না।

৭.ঘুম ভেঙে অন্ধকার দেখলে দ্বিধায় ভুগবেন এবং প্রচণ্ড ঘুম পাবে। এমনভাবে ঘর সাজান যেন সকালে প্রাকৃতিক আলো প্রবেশ করতে পারে।

৮.সকালে ঘুম থেক উঠে দৌড়াদৌড়ি শুরে করার আগে একগ্লাস পানি পান করুন।তবে ঠান্ডা বা গমর পানি পান না করে সভাবিক পানি পান করুন।

৯.যদি আপনার সকালে ব্রেকফাস্ট না করার অভ্যাস থাকে তাহলে সেটা এখনই পাল্টে ফেলুন। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ব্রেকফাস্ট যারা করেন না তারা স্থুলতা, ডায়াবেটিক এবং অল্পতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। ঘুম থেকে উঠে ব্রেকফাস্ট করলে শরীর একেবারে চাঙ্গা থাকবে। কয়েকটি ভেজানো কাঠবাদাম, রুটি-তরকারি বা ফল ইত্যাদি খেতে পারেন।

১০.আপনি যদি মনে করে থাকেন, সকাল সকাল এক কাপ কড়া কালো কফি খেলে চাঙ্গা হয়ে উঠবেন। তাহলে আপনার ধারনাটা অনেকটাই ঠিক, কিন্তু, খালি পেটে ধূমপান বা কড়া কফি আপনার শরীরকে পুষ্টি থেকে কয়েক যোজন দূরে সরিয়ে দেবে। ফলে খালি পেটে আগে পানি খান।

Facebook Comments