Saturday , September 22 2018

বাংলাদেশি সমর্থকদের কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হয়ে যা বললেন আইসিসি

সমর্থকদের কর্মকাণ্ডে- বহুল প্রতীক্ষার পর শুরু হয়ে গেছে এশিয়া কাপ। শুরু থেকেই বেশ উত্তেজনা কাজ করছে সব খেলা নিয়ে। এবার বাংলাদেশকে নিয়েও অনেকে স্বপ্ন রয়েছে ভক্তদের। তবে প্রথম ম্যাচে বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে যা রীতিমত সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল খুব ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। যার পেছনে উদ্দীপক হিসাবে কাজ করছে সমর্থকরা। কোনো একটি দেশে ক্রিকেট এগোয় ঠিক এভাবেই।’

সোমবার দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসির সদর দপ্তর সমর্থকদের সাথে আলাপকালে বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের ভূয়সী প্রশংসা করে এসব কথা বলেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন।

বাংলাদেশি সমর্থকদের কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হয়ে যা বললেন আইসিসি

এ সময় তিনি সমর্থকদের জনপ্রিয় সংগঠনটিরও প্রশংসা করেন। রিচার্ডসন আরও বলেন, ‘সমর্থক গোষ্ঠী হিসেবে বিসিএসএ যেরকম কাজ করছে তা সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে।’

ইতিপূর্বে ক্রিকেট সংগ্রহশালা নিয়ে বেশ কয়েকবার প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল বিসিএসএ। সংগঠন সম্পর্কে বিস্তারিত আলাপকালে বিসিএসএ’র সভাপতি ও সহ-সভাপতি রিচার্ডসনকে অবহিত করেছেন সেটিও।

যা শুনে যারপরনাই বিস্মিত ও মুগ্ধ আইসিসির এই গুরুত্বপূর্ণ পদের অধিকারী, ‘বিসিএসএ সম্পর্কে আজ বিস্তারিত না জানলে আমার ভাবনাতেও আসতো না যে সমর্থক গোষ্ঠী হয়েও ক্রিকেট স্মারক প্রদর্শনী করা যায়। আমরাও ভবিষ্যতে এমন করতে পারি। বিসিএসএ’র জন্য আমার শুভকামনা রইলো।’

বাংলাদেশি সমর্থকদের কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হয়ে যা বললেন আইসিসি

প্রসঙ্গত, ক্রিকেট নিয়ে বাংলাদেশি সমর্থকদের পাগলামি প্রসঙ্গে নতুন করে কিছু বলার নেই। দল যত উন্নতি করেছে, এই দেশের ততই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ক্রিকেট।

দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের উন্মাদনা এখন ছড়িয়ে পড়েছে বহির্বিশ্বেও। আর তা দেখে মুগ্ধ বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসিও।

কী হলো শ্রীলঙ্কার , এতটাই অধঃপতন হাতুরাসিংহের দলের?

কী হলো শ্রীলঙ্কার! এতটাই অধঃপতন হাতুরাসিংহের দলের? পরাজয় থাকবেই। তাই বলে ব্যবধান এত বেশি। লড়াইও করতে পারে না এখন তারা। বিস্মিত করেছে তারা।

২৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে গিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে অলআউট হয় তারা ১২৪ রানে। হারল ১৩৭ রানে। কাল আফগানিস্তানের বিপক্ষেও তাদের ব্যাটিং বিপর্যয় এবং ১৫৮ রানে অলআউট হয়ে ৯১ রানে পরাজয়। দুই ম্যাচ খেলে গ্রুপ পর্বে কোনো ম্যাচ না জিতে এশিয়া কাপ থেকেই বিদায় নিলো দলটি।

অন্য দিকে একটি করে ম্যাচ জিতে আফগানিস্তানের সাথে বাংলাদেশও উঠে গেল দ্বিতীয় পর্বে। আফগানদের সাথে ম্যাচ রয়েছে বাংলাদেশের। তা হবে নিছক আনুষ্ঠানিকতা।

আসলে শ্রীলঙ্কার টিম স্পিরিটে যথেষ্ট ঘাটতি দেখা গেছে। বোলিং, ব্যাটিং। সর্বত্রই ছিল তারা প্লানহীন। আফগানদের বিপক্ষে সূচনায় বেশ গুছানোই ছিল।

কিন্তু একটু দেখেশুনে খেলে আফগানরা ঠিকই নিজেদের স্কোর বের করে নেন। প্রথম ব্যাটিং করে ২৪৯ রান করেছিল তারা। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটা তেমন চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছিল না।

শ্রীলঙ্কা ইতঃপূর্বে যে ক্রিকেট খেলে আসছে, তাতে এ টার্গেট নেহাত কমই। কিন্তু লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা যে ছন্দে নেই তার আরেকবার প্রমাণ মিলল। অবশ্য আফগানদের বোলিং লাইনও বেশ গোছালো। আবুধাবিতে বহু ম্যাচ তারা খেলেছে।

ফলে কিভাবে কী করতে হবে সেটা তাদের ভালোই জানা। এতে করে চেনা কন্ডিশনে শ্রীলঙ্কাকে তারা সহজেই আটকে দিতে সক্ষম হয়েছে।

তা ছাড়া আফগানদের বোলিং লাইনও বেশ শক্তিশালী। দুই স্পিনার রশিদ খান ও মুজিব ইতোমধ্যে সুনাম কুড়িয়েছেন। ফলে এ দুই বোলারের ভারটা হয়তো আর নিতে পারেনি শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তারা ৪১.২ ওভারেই।

লঙ্কান স্পিন, পেস সব কিছুই তারা সামাল দেয় দক্ষতার সাথে। তবে এদের মধ্যে সলিড খেলেছেন রহমত শাহ। মিডল অর্ডারে ৯০ বল খেলে সংগ্রহ করেন তিনি ৭২ রান।

যার মধ্যে ছিল পাঁচটি চারের মার। ইনিংসে এ একটাই হাফ সেঞ্চুরি। এ ছাড়া ইহসানুল্লাহর ৪৫ রান উল্লেখযোগ্য। তিসারা পেরেরা শেষের দিকে অনেকটা ভীতি ছড়িয়ে নেন পাঁচ উইকেট ৫৫ রানে।

এরপর ২৫০ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শ্রীলঙ্কা সূচনায় হারিয়ে ফেলে ওপেনার কুশল মেন্ডিসকে। মুজিবের বলে লেগ বিফোর তিনি।

এরপর থারাঙ্গা ও ধ্যানাঞ্জয়া মিলে কিছুটা ভালো খেলার চেষ্টা করেও পারেননি। ৫৪ রানের পার্টনারশিপ খেলে রান আউট হয়ে যান ধ্যানাঞ্জয়া।

আফগান বোলারদের সামনে আর দাঁড়াতে পারেনি সেভাবে। ফলে অলআউট হয়ে যায় তারা ১৫৮ রানে। এতেই ওই বড় পরাজয়। থারাঙ্গার ৩৬ রান ইনিংস সেরা। অবাক করার মতো ঘটনা। দুই ম্যাচে শ্রীলঙ্কার একজন ব্যাটসম্যানও হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেনি।

মেসিকে নিয়ে একি বললেন কৌতিনহো

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে আজ রাতে মাঠে নামবে বার্সালোনা। রাত ১০:৫৫ মিনিটে তাদের প্রতিপক্ষ পিএসভি। আর এই ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বার্সালোনার সুপারস্টার ফিলিপ কৌতিনহো।

গত জানুয়ারীতে লিভারপুল থেকে বার্সালোনায় পাড়ি জমান কৌতিনহো। আর পিএসভির বিপক্ষে ম্যাচটিই বার্সালোনার জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগে তার প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে।

প্রতিযোগিতায় বার্সালোনার হয়ে খেলতে মরিয়া কৌতিনহো বলেন, চ্যাম্পিয়নস লিগ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন প্রতিযোগিতা এবং আমি আমার দলের হয়ে খেলার জন্য মরিয়া হয়ে আছি।

“আমরা কঠিন একটি গ্রুপে আছি। ভালো খেলার উপরই নির্ভর করবে কারা যাবে পরের রাউন্ডে। আমরা আমাদের সেরাটা দিতে চাই প্রতিটি ম্যাচে।”

“এটা ব্যখ্যা করা খুবই কঠিন যে বার্সালোনা শেষ চার বছরে মাত্র ১টি শিরোপা জিতছে, তাও আবার মেসি থাকতে। সে বিশ্বের সেরা খেলোয়ার। হতে পারে ইতিহাসেরও।”

Facebook Comments