ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চোরকোল গ্রামে আধা ঘন্টার টর্নেডোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কোন বাড়ি না ভাঙ্গলেও ২২ বিঘা জমির কলাবাগান ভেঙে কৃষদের প্রায় ১৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিনগত মধ্যরাতে চেঙাগাড়ির মাঠে এই ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে সদর উপজেলার দু’জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ চাষি জোমার আলি জানান, তার বাড়ি জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামে। পাশের সদর উপজেলার চোরকোল গ্রামের চেঙারগাড়ি মাঠে বিঘা প্রতি ১০ হাজার টাকা হারে ১৪ বিঘা জমি লিজ নিয়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শে কলার আবাদ করেছেন। গাছের যত্নে সার-শ্রমিকসহ প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচও হয়ে গেছে। এই টাকার অধিকাংশই ঋনের টাকা।
এছাড়া গ্রামের শওকত মুন্সি, আব্দুল হাই, সাইফুল ইসলামের বাগানের কলাগাছও ভেঙে গেছে। খবর পেয়ে সদর উপজেলার মেসবাহ আহমেদ ও আব্দুল মান্নান নামের দু’জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
চোরকোল গ্রামের ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম বলেন, ঝড় অল্প হলেও ক্ষতির পরিমান অনেক বেশি হয়েছে। বিশেষ করে জোমার আলির সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জিএম আব্দুর রউফ বলেন, দু’জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিলেন। তারা তাদের পরবর্তি করনীয় সম্পর্কে জানিয়ে এসেছেন। তাছাড়া সে সকল গাছের কাঁদি বের হয়নি সেসব গাছের ভাঙা স্থানে কেটে দিলে কাঁদি বের হবে।
আলোর খবর
