দায়িত্ব যখন লাইসেন্স যাচাই করা, তখন পিতা-মাতার বিষয়টি পরে। কারণ আগে দায়িত্ব, পরে বাবা-মা। তেমনই একটি ঘটনার সাক্ষী হলো শিক্ষার্থীদের চলমান বিক্ষোভে।
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় স্ত্রী দেবীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন অমি গাফফার নামের এক ব্যক্তি । পথিমধ্যে উত্তরার মাস্টারমাইন্ড স্কুলের শিক্ষার্থীরা গাড়ির গতিরোধ করে। এরপর এক শিক্ষার্থী তার ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করতে আসে। সে আর কেউ নয়, তাদেরই মেয়ে রাইসা। ঘটনাটি সিনেম্যাটিক মনে হলেও সত্য। এরপর বাবা হাসিমুখে মেয়ের হাতে লাইসেন্স তুলে দেন।
মেয়ে দক্ষ ট্রাফিক সার্জেন্টের মতো মনোযোগ দিয়ে লাইসেন্স যাচাই করে বাবার হাতে ফেরত দেয়। মনে হচ্ছিল না এটা বাবা-মেয়ের ঘটনা। মনে হচ্ছিল একজন গাড়িচালক ও একজন সার্জেন্টের নিয়মিত আচরণ। এমন একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টির সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত করেন অমির স্ত্রী ও রাইসার মা দেবী গাফফার। তিনি বলেন, আমরা রাজধানীর উত্তরার খালপাড় এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় শিক্ষার্থীরা আমাদের গাড়ির গতিরোধ করে। আমাদের লাইসেন্স চেক করতে যে আসে সে আমাদেরই মেয়ে রাইসা গাফফার। বিষয়টিতে খুব অবাক হয়েছি। তাদের দায়িত্ববোধ ভালো লেগেছে।
গত রবিবার শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ২ শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।
আলোর খবর
