Sunday , August 12 2018

পাঁচ বছরের শিশুর শরীরে ইনজেক্ট করে দিতেন কাকা যৌ,,ন হরমোন ! তারপর ?

পাঁচ বছরের শিশুর শরীরে- মানুষ দিন দিন পশুর থেকেও বেশি হিংস্র হয়ে উঠছে। কিছু মানুষের যৌন চাহিদা ও লালসা মাত্রা ছাড়িয়েছে। নিজেদের যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য তারা বয়ষ্ক মহিলাদেরও ছাড়ছে না। প্রায় প্রতিদিনই খবরের শিরনামে এখন একটা খবর থাকবেই। যার নাম ধর্ষন।

এই যৌন চাহিদা পূরনে তারা ছোট বাচ্চাদেরও বাদ দেয় না। দুধের শিশু থেকে শুরু করে নাবালিকা সবার উপর যৌন নির্যাতন করে চলেছে কিছু মানুষ রূপী পশু কর্তৃক। আর এখানেই শেষ নয়, নিজেদের যৌন ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদের, যাদের বয়স ৬ থেকে ১৫ এর ভিতর তাদের শরীরে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টির হরমোন প্রয়োগ করে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে দেহ ব্যবসায়।

পাঁচ বছরের শিশুর শরীরে ইনজেক্ট করে দিতেন কাকা যৌন হরমোন ! তারপর ?

সম্প্রতি তেলেঙ্গানার ইয়াদ্রি ভঙ্গি জেলার এক বাসিন্দা বিকালে ইয়াদ্রিগিরিয়াত নামক মন্দিরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মন্দিরের ভেতর থেকে কিছু বাচ্চা মেয়ের চিৎকার শুনতে পায়। তিনি সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পুলিশ সহ এলাকার লোক নিয়ে হাজির হন। আর সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ১১ জন শিশু কন্যাকে। যাদের মধ্যে একজন ৫ বছরের কন্যাও ছিল।

পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। মেডিকেল ট্রিটমেন্টে জানা যায় যে তাদের বয়স কম হওয়ায় শরীরে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টির জন্য ইঞ্জেকশানের মাধ্যমে দামি হরমোন প্রয়োগ করা হত। তাদের যৌনাঙ্গে যৌন নির্যাতনের প্রমানও পাওয়া গেছে।

পাঁচ বছরের শিশুর শরীরে ইনজেক্ট করে দিতেন কাকা যৌন হরমোন ! তারপর ?

পুলিশ এই দিন বিকালে স্থানীয় ৫ টি যৌন পল্লীতে হানা দিয়ে আটজন সন্দেহভাজন লোককে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায় যে তদন্ত করে দেখা গেছে এই হরমোন যে ডাক্তার প্রয়োগ করত সেই ডাক্তার মাথা পিছু ২৫০০০ টাকা করে নিত।

আর এই হরমোন প্রয়োগের পরেই মেয়েদের দেহ ব্যবসায় নামিয়ে মোটা টাকা কামাতো অভিযুক্তরা। এই বাচ্চাদের মধ্যে একজন ছিল অভিযুক্তের আত্মীয়, সম্পর্কে কাকা।

পাঁচ বছরের শিশুর শরীরে ইনজেক্ট করে দিতেন কাকা যৌন হরমোন ! তারপর ?

পুলিশ আরও জানিয়েছে যে এই বাচ্চারা সবাই স্থানীয় নয়। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে এদের তুলে আনা হয়েছে। আর তারপর শুরু হয়েছে যৌন নির্যাতন ও দেহ ব্যবসা। পুলিশ আরও পাঁচ জায়গায় অনুসন্ধান করে মোট ১০ জনকে আটক করেছে।

পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে, দোষীদের কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তির আশ্বাসও দিয়েছেন। তবে তারা জানিয়েছে এই চক্র অনেক বড়। এদের মূল পান্ডা সহ তাদের সবাইকে আটক করা দরকার, না হলে এই চক্র বন্ধ করা যাবে না। আরও ফুলের মতো শিশুরা যৌন নির্যাতনের শিকার হবে।

বি: দ্র – ছবিগুলি কেবলমাত্র দৃষ্টান্তের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।

Facebook Comments