Friday , September 28 2018
Breaking News

মদ্যপ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট করতে গিয়ে ধরা খেল বিমান ক্রু

মদ্যপ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর- মদ পানের অভিযোগে ভিভিআইপি ফ্লাইট থেকে বাদ পড়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কেবিন ক্রু।

শুক্রবার লন্ডনের উদ্দেশে যাওয়া প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা বিজি-০০১ ফ্লাইটে এই ঘটনা ঘটে। রেওয়াজ অনুযায়ী ভিভিআইপি ফ্লাইটে ওঠার আগে পরীক্ষাকালে ওই ক্রু’র শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

বিমানের চিফ মেডিকেল অফিসার-সিএমও এর ফাইনাল স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ধরা পড়ে অ্যালকোহলের উপস্থিতি। অ্যালকোহলের টেস্ট পজিটিভ হওয়ায় অভিযুক্ত কেবিন ক্রু সৈয়দা মাসুমা মুফতিকে ভিভিআইপি ফ্লাইট থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ফ্লাইটে চিফ পার্সার হিসেবে গেছেন কাস্টমার সার্ভিসের ডিজিএম নুরুজ্জামান রঞ্জু। ঘটনা ধামাচাপা দিতে গিয়ে ফেঁসে যাচ্ছেন তিনি। সেই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগে মহাব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধেও।

জানা গেছে, নুরুজ্জামান রঞ্জু ও সৈয়দা মাসুমা মুফতিকে গ্রাউন্ডেড করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

জাতিসংঘের আহ্বান প্রত্যাখ্যান মিয়ানমার জেনারেলের

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নির্যাতন ও গণহত্যার দায়ে শীর্ষ জেনারেলদের বিচারে জাতিসংঘের আহ্বানকে সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ মনে করছেন দেশটির বর্তমান সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং।

মিয়ানমারের সার্বভৌমত্বে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, কোনো দেশ, সংগঠন বা গ্রুপের ‘অন্য একটি দেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপের অধিকার নেই। কেউ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মধ্যস্থতা করতে এলে তাতে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।

জাতিসংঘের আহ্বান প্রত্যাখ্যান মিয়ানমার জেনারেলের

রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর সংঘটিত নির্যাতনের তদন্তের আহ্বান জানিয়েছিল জাতিসংঘ। জাতিসংঘের আহ্বানের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) রাখাইনে সংঘটিত অপরাধের প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে।

জাতিসংঘের ওই আহ্বানের সপ্তাহখানেক পর প্রথমবারের মতো প্রতিক্রিয়া দেখালেন দেশটির প্রভাবশালী সেনাপ্রধান। তার বক্তব্য সেনাবাহিনী পরিচালিত দৈনিক পত্রিকা ‘মায়াওয়াদি’তে প্রকাশ করা হয়েছে।

‘মায়াওয়াদি’তে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সোমবার এ খবর প্রকাশ হয়েছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে জাতিগত নিধনের শিকার হয়েছে কয়েক লাখ রেহিঙ্গা। দেশটির সেনাবাহিনী কর্তৃক গত বছরের আগস্ট মাসে শুরু হওয়া অভিযানে ২৪ হাজার রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যা করা হয়। ১ লাখ ১৪ হাজার মুসলমানকে নির্যাতন করা হয় এবং ১৫ হাজার বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়। নির্যাতিত হয়ে বর্তমানে প্রায় ৬ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

Facebook Comments