Saturday , September 22 2018

কে এই সুন্দরী হালিমা যার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে ‘সৌদি বাদশাহ ?

কে এই সুন্দরী হালিমা- একাধারে ফ্যাশন মডেল, টিভি উপস্থাপিকা ও পারস্য উপসাগর কাঁপানো সুন্দরী হালিমা বোল্যান্ড (৩৭)। কুয়েতের প্রথম নারী হিসেবে তিনি ২০০৭ সালে আলরাই টিভির উপস্থাপিকা হন। ওই বছরই ‘মিস আরব সাংবাদিক’ পুরস্কার পান তিনি। এরপর থেকেই উপসাগরীয় অঞ্চলে নানা কারণে আলোচনায় এসেছেন।

এবার সৌদি বাদশাহকে নিয়ে আবারও খবরের শিরোনাম হয়েছেন হালিমা। অনেকেই বলছে, হালিমার (৩৭) সঙ্গে প্রেমে জড়িয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ (৮২)। এর আগে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের (৩৩) সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার খবর সংবাদ মাধ্যমে এসেছিল।

এবার সৌদি বাদশাহর কাছ থেকে উপহার পাওয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে শোরগোল তৈরি হয়েছে। অনেকেই টিটকারী দিয়ে বলছেন, বাপ-বেটা দুজনেরই নজর এখন লাস্যময় এ সুন্দরীর দিকে।

হালিমা রিয়াদের একটি হোটেলে উঠে দেখতে পান তার কক্ষে প্রায় ৩০ লাখ রিয়াল বা ৮ লাখ ডলার (৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা) সমমূল্যের বিলাসবহুল উপহার পাঠানো হয়েছে। আশ্চর্য্যের বিষয় হলো, এই উপহার নাকি পাঠিয়েছেন স্বয়ং সৌদি বাদশাহ!

হালিমা যখন এই উপহারের ভিডিও নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন, তখন যেন তোলপাড় শুরু হয়।

এ খবর দিয়েছে আল আরাবি ওয়েবসাইট। সৌদি কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ৩ ব্যক্তিকে আটক করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সৌদি বাদশাহর নামে তারা প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন।

সৌদি বাদশাহ এই উপহার না পাঠিয়ে থাকলে, কে এই উপহার পাঠিয়েছেন তা নিয়ে বোল্যান্ড বা সৌদি কর্তৃপক্ষ – কেউই কোনো বিবৃতি দেয়নি।

সাধারণ কেউ এই উপহার পাঠাননি, তা স্পষ্ট। কিন্তু কেনইবা অন্য কেউ লাখ লাখ রিয়াল সমমূল্যের উপহার একজন নারীকে পাঠাবেন, সেটি এখনও রহস্য।

প্রসঙ্গত, ৩৭ বছর বয়সী হালিমার ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৩৫ লাখ অনুসারী রয়েছে। তিনি যখন অজস্র উপহারের বক্স খুলছিলেন তখন তা ভক্তদের জন্য সরাসরি সম্প্রচার করেন।

বক্সের ভেতরে দেখা যায় বিলাসবহুল অলঙ্কার, ফুল আর কাপড়। এরপর হোটেলের দরজা খুলেই তিনি দেখতে পান একজন স্টাফ একটি ট্রলি নিয়ে আসছেন, যেখানে রয়েছে আরও উপহার! এর একটি বক্সে শুধু কয়েক ডজন সুগন্ধীর বোতলই ছিল।

সেখানে খোদাই করা ছিল তার নাম। বক্সের ভেতর একটি বার্তাও ছিল। যেখানে লেখা: ‘হালিমা, আবদুল জলিল বোল্যান্ড, বিশ্বের সেরা সুন্দরী যার পদানত থাকবে সারা দুনিয়া।’

ভিডিওতে দেখা যায়, বক্সের ভেতরে একটি চিঠি আছে, যেখানে সৌদি বাদশাহর সিলমোহর অঙ্কিত। এর পরপরই সৌদি আরবে টুইটার হ্যাশট্যাগ শুরু হয়, ‘হালিমাকে উপহার পাঠিয়েছেন বাদশাহ’ (দ্য কিং গিভস গিফটস টু হালিমা)। পাশাপাশি, বহুমূল্যের ওই উপহার ও সৌদি রাজপরিবারের দুর্নীতি নিয়ে অনেকে ব্যাঙ্গাত্মক টুইট করেন।

একজন নারী দেহরক্ষীর গোপন জীবন জানলে শিহরিত হবেন আপনিও!

যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী দেহরক্ষী হিসাবে কাজ শুরু করেন জ্যাকুইন ডেভিস, যিনি রাজপরিবারের সদস্য এবং অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিদের জন্য কাজ করেছেন। তার ৩০ বছরের পেশাজীবনে অনেক জিম্মি মুক্ত করেছেন এবং গোপন নজরদারি করেছেন।

কিন্তু কেমন ছিল তার সেই জীবন?

জ্যাকুইন বলছেন, ”যখন আমি প্রথম এই পেশায় আসি, তখন এটা ছিল পুরোপুরি পুরুষ কেন্দ্রিক একটি জায়গা। তারা সবসময়ে চাইতো আমি যেন শুধু নারী বা শিশুদের বিষয়গুলো দেখভাল করি-যা ছিল খুবই অদ্ভুত। যেন তারা সবাই আমার বাবা।”

১৯৮০ সালে পুলিশ বিভাগে চাকরিতে ঢোকার কিছুদিন পরেই জ্যাকুইন বেসরকারি নিরাপত্তা খাতে চলে যাবার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ এটা তাকে নানা ধরণের কাজের সুযোগ দেবে। পেশার কারণে তিনি বিশ্বের নামীদামী পাঁচ বা ছয় তারকা হোটেলে থেকেছেন

তিনি বলছেন, ”কিন্তু প্রতিদিনই ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ করার পর সেসব উপভোগের সময় থাকেনা। ” এর বাইরে একজন দেহরক্ষীকে সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় তার ব্যক্তিগত জীবনের। ”আপনি হয়তো আট-দশ সপ্তাহ বাড়িতেই যেতে পারবেন না।”

যখন আগেভাগে পরিকল্পনা করে ক্লায়েন্টদের জীবনের ঝুঁকি দূর করতে হয়, তখন সেটি সিনেমা বা নাটকের চেয়েও নাটকীয় হয়ে ওঠে। অপহরণের শিকার কয়েকজন তেল কর্মীকে উদ্ধার করতে গিয়ে নজরদারির অংশ হিসাবে জ্যাকুইনকে ইরাকের রাস্তায় বোরকা পড়ে ঘুরতে হয়েছে।

Facebook Comments