লজ্জাস্থানে মুখ দিলে-
প্রশ্ন: লজ্জাস্থানে মুখ দেওয়া কি হারাম?
প্রশ্ন: স্ত্রীর মুখে লিঙ্গ দেওয়া জায়েজ আছে কি?
প্রশ্ন: বউয়ের গোপনাঙ্গে মুখ দেওয়া যাবে কি? ইসলাম কি বলে যদি পারেন জানাবেন।
প্রশ্ন: স্বামী তার স্ত্রীর গোপনাঙ্গে এবং স্ত্রী তার স্বামী (পুরুষাঙ্গ+ স্ত্রীর গোপনাঙ্গে) চুষতে পারবে কি?উপরের প্রশ্ন ৪টির কিন্তু মূলে জবাব একটি। তাই চারটি প্রশ্নের জবাব এক সাথে দিয়ে দিলাম।
উত্তর: মা আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) বলেছেনঃ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি আমার লজ্জাস্থান দেখেন নি এবং আমিও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের লজ্জাস্থান দেখেনি।
তাছাড়া নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন লজ্জাস্থানে না তাকাতে। কেননা তাতে নাকী চোখের জ্যোতি কমে যায়। (এ হাদীসে কতটুকু সত্য তা আমার জানার বাহিরে। অনেক আলেম এ নিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। তবে নিচে এ নিয়ে আমার মত প্রকাশ করলাম।
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীর গোপনাঙ্গে মুখ লাগানো এটি একটি পশুভিক্তিক আচরণ। গোপনাঙ্গে মুখ লাগানো এটা সভ্য মানুষের আচরণ হতে পারেনা। পুশুদের হাত নেই বলেই তার সঙ্গীনিকে মুখ দ্বারা উত্তেজিত করে। কিন্তু আপনার তো হাত আছে।
আপনার হাত থাকতে কেনো আপনি (পুরুষ ও নারী) কেনো গোপনাঙ্গে মুখ লাগিয়ে আপনার সঙ্গীনিকে উত্তেজিত করবেন?? আমার জানা মতে পুশুরাও তো গোপনাঙ্গে মুখ লাগায় না। তবে আপনি কেনো সৃষ্টির সেরা হয়ে গোপনাঙ্গে মুখ লাগাবেন?
এটা তো প্রসাবের রাস্তা। আপনি কি যে পাত্রে প্রসাব করেন সে পাত্রে কি খাদ্য রেখে খাবেন? আপনার রুচিতে হলে খেতে পারেন আমার তাতে কোনো আপত্তি নেই।
আমার এই কথার বিপরীতে যদি আপনি বলেন এটা (গোপনাঙ্গ) তো ধোয়া ও পরিস্কার থাকে। জবাবে আমি আপনাকে বলবো আপনি কারো বাসায় মেহমান হয়ে গেলেন।
আপনার সামনে সে বাসার মালিকের ছোট্ট ছেলে ফল রাখার পাত্রেতে প্রসাব করে দিল এবং বাসার মালিক তা ধুয়ে সে পাত্রে আপনাকে ফল বা খাবার খেতে দিল তাহলে আপনি কি সে খাবার খাবেন? অবশ্য আপনার রুচিতে হলে খেতে পারেন।
আপনি তাকান তো আপনার নিজের দিকে। আপনি যখন আপনার মায়ের গর্ভে ছিলেন, তখন মহান আল্লাহ আপনার মায়ের মাসিকের রক্ত বন্ধ করে সে রক্ত দিয়ে আপনার প্রাণ বাঁচিয়েছেন।
সে মাসিকের রক্ত কি আপনাকে মুখ দিয়ে পান করিয়েছেন না কি নাড়ী দিয়ে। মহান আল্লাহ মাসিকের রক্ত নাড়ী দিয়ে আপনার দেহ প্রবেশ করিয়ে আপনার প্রাণ রক্ষা করেছেন।
তিনি এমনটি কেনো করেছেন? উত্তর হচ্ছে এই রক্ত যদি আপনার মুখ দিয়ে আপনার দেহে প্রবেশ করাতেন তাহলে আপনার মুখ টা নাপাক হয়ে যেত।
তা হলে আপনি দুনিয়াতে এসে অপবিত্র মুখ দিয়ে মহান আল্লাহর নাম নিতেন। আপনি যাতে পবিত্র মুখ দিয়ে মহান আল্লাহর নাম জপতে পারেন সে জন্য মহান আল্লাহ এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মায়ের গর্ভে আপনার প্রাণ বাঁচিয়েছেন।
তৃতীয়তঃ গোপনাঙ্গে মুখ লাগালে গোপনাঙ্গে লেগে থাকা জীবাণু আপনার দেহে প্রবেশ করবে। তাতে আপনি অসুস্থ হওয়ার সম্ভবনা আছে। তাছাড়া আপনি গোপনাঙ্গে মুখ লাগাবেন সে যদি গোপনাঙ্গ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে তখন আপনি কি করবেন?
এখন আপনি যদি প্রশ্ন করেন ডাক্তারেরা তো বলে গোপনাঙ্গে মুখ লাগাতে। উত্তরে আমি বলতে চাই, ডাক্তারেরাতো বলে পানি ফুটালে পানিতে থাকা জীবাণুরা মরে যায়।
কিন্তু পানিতে থাকা জীবাণুরা মরে কি উড়ে যায় নাকি সে জীবাণু পানিতেই থেকে যায়? এখন আপনি যদি সে পানি খান তাহলে মরা জীবাণুর সাথেই সে পানি খাচ্ছেন।
আলোর খবর
