Monday , September 17 2018

মাত্র ১০ মিনিটেই হবে কীটনাশক ও ফরমালিন মুক্ত

খাদ্যদ্রব্যে ইদানিং বেশি ব্যবহার হচ্ছে ফরমালিন। যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে খাদ্যপণ্য ফরমালিন মুক্ত করতে লাইফ অ্যান্ড হেলথ- লিমিটেড বাজারে এনেছে ‘কার্বন গ্রিন’ নামের একটি পাউডার। যা পানিতে গুলিয়ে ধুয়ে নিলে ফরমালিন মুক্ত হবে খাদ্যপণ্য ।

শুক্রবার রাজধানীর ডেইলী স্টার ভবনে এক সংবাদ সম্মেলন করে এমন তথ্য জানিয়েছে লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডা. শক্তি রঞ্জন পাল।

প্রতিষ্ঠানটির গবেষণায় তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বেশি ফলনের আশায় জমিতে কীটনাশক ও খাবার সংরক্ষণে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের হার ১০ থেকে ১২ বছরে বেড়েছে ৩২৮ শতাংশ।

এ বিষয়ে ডা. শক্তি রঞ্জন পাল বলেন, ‘কীটনাশক ও ফরমালিনের ভয় আর নেই। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমরা নিয়ে এসেছি কার্বন গ্রিন যা ফলমূল ও সবজির উপরিভাগে লেগে থাকা রাসায়নিক দ্রব্য ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ মুক্ত করবে। লবণ-পানি, ভিনেগার কিংবা পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট ব্যবহারে ফলমূল ও শাক-সবজি ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কীটনাশক ও ফরমালিন মুক্ত হয়।

কার্বন গ্রিন -এর কার্যকারিতা ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সোডিয়াম বাই কার্বনেট এবং অত্যন্ত সক্রিয় কার্বনের সঠিক অনুপাতের সংমিশ্রণে কার্বন গ্রিন তৈরি হয়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান এস.জি.এস, এন.আই.এফ এবং ও.এম.আই.সি-এর পরীক্ষাগারে কীটনাশক যুক্ত খাদ্যদ্রব্য ও শাক-সবজিতে নির্দিষ্ট মাত্রায় কার্বন গ্রিন প্রয়োগে খাদ্যদ্রব্য ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত বিষমুক্ত হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করা কার্বন গ্রিন ‘বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)’ দ্বারা পরীক্ষিত এবং বি.এস.টি.আই অনুমোদিত। এটি দেশের সুপার শপ, ফার্মেসি ও খুচরা দোকানে পাওয়া যাচেছ। লাইফ এন্ড হেল্‌থ বাংলাদেশে কার্বন গ্রিন-এর ডিসট্রিবিউটর নিয়োগ করছে। কার্বন গ্রিন মূলত এক ধরণের পাউডার। যা ফলমূল ও শাকসবজি উপরিভাগে লেগে থাকা বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থের ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ মুক্ত করতে পারে।

কার্বন গ্রিন ব্যবহারবিধি সম্পর্কে জানানো হয়, ৮ গ্রামের এক প্যাকেট কার্বন গ্রিন পাউডার প্রথমে ১০ লিটার পানিতে গুলিয়ে নিতে হবে। এরপর এই পানি দিয়ে ১০ কেজি শাকসবজি, ফলমূল ও মাছ ধোয়া যাবে। তবে খাদ্যদ্রব্যের ভেতরে প্রবেশ করা বিষাক্ত রাসায়নিক এতে দূর হবে না। কেবল বাইরের খোসায় লেগে থাকা অংশ পরিষ্কার করা যাবে। কার্বন গ্রিন দিয়ে পরিষ্কার করা খাবার দুই -তিন দিনের মধ্যে খেয়ে ফেলতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ডা. এনামুল হক, ফয়সাল আনোয়ার, রাসেল মাহমুদ খান, সামসুল আরেফিন সহ লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিঃ এর অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments