প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সূচনা বক্তব্যে বলেন। আজকে এই অনুষ্ঠানে আপনার এসেছেন গণভবন ও জনগণের ভবনে এক গণভবনে আপনাদেরকে স্বাগত জানাই স্বাগত জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্য যে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছি এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে গণতন্ত্রের অব্যাহত রেখেছে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এক এই বাংলাদেশের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখবে বলে মনে করি।
এছাড়া এই দেশটা আমাদের সকলের, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং দেশের সার্বিক উন্নয়ন এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমি এটা বিচারের ভার আপনাদের উপর ছেড়ে দিব। দীর্ঘ নয় বছর ১০ মাস হতে চললো আমরা সরকারি এই সময়ের মধ্যে দেশে কত উন্নয়ন করতে পেরেছি সেটা নিশ্চয়ই আপনারা বিবেচনা করে দেখবে। এতে এটুকু বলতে পারি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সাধারণ মানুষ ভালো আছে। তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটছে। দিনবদলের যে সূচনা করেছিলাম সেই দিন বদল হচ্ছে। এটাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাস্তবায়ন করে।
লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা। আমাদের মহান নেতা জাতির পিতার নেতৃত্বে আমরা এ স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আজকে সেই স্বাধীনতার সুফল যেন, প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছাতে পারে সেটাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্যে। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি।
জাতীয় এক্যফ্রন্ট সংলাপে বসতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি পাঠানোর পর মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) বিএনপিসহ চারটি দলের নতুন জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনকে আমন্ত্রণপত্র পাঠান প্রধানমন্ত্রী। আমন্ত্রণপত্রে আজ সন্ধ্যায় সংলাপে বসার জন্য বলা হয়।
জাতীয় এক্যফ্রন্ট সংলাপ বসতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি পাঠানোর পর মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) বিএনপিসহ চারটি দলের নতুন জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনকে আমন্ত্রণপত্র পাঠান প্রধানমন্ত্রী। আমন্ত্রণপত্রে আজ সন্ধ্যায় সংলাপে বসার জন্য বলা হয়।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংলাপে উপস্থিত থাকছেন- ওবায়দুল কাদের, তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমু, মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফরউল্লাহ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, দিলীপ বড়ুয়া, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, মাঈনুদ্দিন খান বাদল, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, রমেশ চন্দ্র সেন, মাহবুবউল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, আব্দুর রহমান, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, হাছান মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম।
আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে থাকছেন ড. কামাল হোসেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মাহমুদুর রহমান মান্না, এসএম আকরাম, মোস্তফা মহসিন মন্টু, সুব্রত চৌধুরী, আ স ম আব্দুর রব, আব্দুল মালেক রতন, তানিয়া রব, সুলতান মুহাম্মদ মনসুর, আ ব ম মোস্তফা আমিন ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এর মধ্যে নতুক করে ৫ নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন, মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার আফ্রিক ও আ ও ম শফিক উল্লাহ।
চৈত্রের দুপুরে হঠাৎ বৃষ্টির মত দেশের রাজনীতিতে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে সংলাপ। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাথে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এই সংলাপ হচ্ছে। অতীত অভিজ্ঞতা ভাল না হলেও, এবারের সংলাপ হচ্ছে দৃশ্যত নিজেদের উপলব্ধির জায়গা থেকে। যা আশা জাগাচ্ছে জনমনে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দেশের রাজনীতির জন্য এই সংলাপ সুযোগ হিসেবে এসেছে, যেখানে পারস্পরিক অবিশ্বাস দূর করার শুভ সূচনা সম্ভব। তাদের মতে, সবার সব দাবি পূরণ হবার নয়, এটা মেনে নিয়েই উভয় পক্ষকে কিছুটা ছাড় দেয়ার মানসিকতা দেখাতে হবে।
ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবির যতটাই পূরণ হোক না কেন, বিএনপির জন্য নির্বাচনে অংশ নেয়া, মন্দের ভাল বলে মনে করেন তারা।
আলোর খবর
