Thursday , June 28 2018
Breaking News

বাপ ছেলে দু’জনেই আমার সাথে জোর করে শারীরিক মেলামেশা করেছে…

বাপ ছেলে দু’জনেই আমার সাথে জোর করে শারীরিক মেলামেশা করেছে…
পেটের দায়ে ছোট বেলায় রাজধানীর ধানমন্ডির এক বাসায় আমারে কাজ করতে পাঠায় বাপ ও মা। ওই বাসার মালিক ও তার ছেলে জোর কইরা আমার সাথে খারাপ কাজ করে। তখন আমার অনেক খারাপ লাগত। পরে দেখলাম বাপ-ছেলের সঙ্গেই যদি এই কাজ করতে পারি, তাহলে পেশা হিসেবে নিতে আর দোষ কী? তাই এ পথে নেমে গেলাম।

এভাবেই দাম্পত্য কর্মী হিসেবে পথ চলার কথা জানালেন রাজধানীর কাওরান বাজার এলাকায় বসবাসরত দাম্পত্য কর্মী রিমি আখতার। তিনি জানান, সাধারণ মানুষ আমাদের খারাপ বলে জানে, আসলে আমাদেরকে এ পথে কারা আনতে বাধ্য করে? কাদের কারণে আমরা এ পথ বেছে নিয়েছি এটি কেউ জানতে চায় না। আমরা অসহায়, চাইলেও এ পথ থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারি না।

রিমি আরো বলেন, আমার বয়স যখন ১২ বছর তখন আমার বাবা এক বাসায় কাজ করতে রেখে যায়। ঐ বাসায় যখন সাহেব-ম্যাডাম বাসার বাহিরে চলে যেত তখনই ছেলে জোর করে আমার সঙ্গে শারীরিক কর্ম করত এভাবে চলতে থাকে দিনের পর দিন। আবার যখন সাহেব একা বাসায় থাকত তখন তিনিও আমাকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে তার রুমে যৌনকর্ম করতে বাধ্য করত। আমি এসব বিষয়ে ম্যাডামকে কিছুই বলতে সাহস পেতাম না, কারণ উনিও আমাকে কাজের জন্য অনেক নির্যাতন করত।

এ সময় রিমি আখতারের সাথে থাকা আরেক শারীরিক কর্মী বলেন, আমর স্বামী নির্যাতন করত, খাবার দিতনা বাসায় বন্দী করে রাখত। স্বামী ইট দিয়ে আমার দুই পা থেঁতলে দিয়ে ছিল। তাই আমি দুটি সন্তান নিয়ে চলে আসি। আমার সন্তানদের মানুষ করতে এ পথ বেছে নিয়েছি।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে জান গেছে, সারাদেশে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার শিশু ও নারী স্বামী হাতে অথবা বাসা বাড়িতে কাজ করতে এসে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এর ফলে এদের অধিকাংশই দাম্পত্য কর্মী অথবা মৃত্যুর পথ বেছে নিচ্ছে।

তথ্যসূত্র- সানবিডি২৪.কম

Facebook Comments