Sunday , November 4 2018

পৃথিবীতে মাত্র ৩% মানুষের হাতে আছে এই চিহ্ন, যদি থাকে…!

পৃথিবীতে মাত্র ৩%- শোনা যায়, গ্রেট আলেকজান্ডারের দু-হাতের তালুতেই ছিল বিশেষ এই চিহ্নটি। এক নয়, একাধিক। আলেকজান্ডার যে তার সময়কালে ‘গ্রেট’ ছিলেন, তার সাক্ষ্য ইতিহাসেই রয়েছে।

আর এসময়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দু-হাতেও আপনি দেখতে পাবেন। দাবি, আব্রাহম লিংকনের দু-হাতেও ছিল এই চিহ্ন। বিশেষ এই চিহ্নটি হল, ইংরেজি বর্ণমালার ‘X’।

আপনার হাতে এই চিহ্ন রয়েছে কি না, দেখেছেন? রাশিয়ার STI ইউনিভার্সিটি সম্প্রতি এক গবেষণা রিপোর্টে দাবি করেছে, গোটা বিশ্বে মাত্র ২০ লক্ষ মানুষের হাতে তারা ‘X’ চিহ্ন পেয়েছেন।

প্রাচীন মিশরীয় ও গ্রিক জ্যোতিষশাস্ত্রে এই X চিহেৃর উল্লেখ রয়েছে। STI-এর গবেষণা পেপারে উল্লেখ করা হয়েছে, সবাইকে গ্রেট লিডার হিসেবে বোঝা না গেলেও, যাদের দু-হাতে এক্স রয়েছে, ব্যক্তি হিসেবে তারা কিন্তু চিত্তাকর্ষক

। জনমোহিনী ক্ষমতার অধিকারী। চারিত্রিক দৃঢ়তায় এদের ধারেকাছে কেউ নেই। নির্দিষ্ট গন্তব্যে বা লক্ষ্যে পৌঁছতে, এদের আগাম প্রস্তুতির প্রয়োজন পড়ে না। যে কোনও মুশকিলের চটজলদি সমধান এদের কাছে পাওয়া যায়।

লেটার X-এর ভবিষ্যদ্বাণীপূর্ণ আরও কিছু গুণ ,

১. এরা অত্যন্ত কার্যকরী।

২. তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী।

৩. সর্বোত্তম নেতা হওয়ার ক্ষমতা থাকে।

৪. মৃত্যুর পরেও লোকের মুখে এদের নাম ফেরে। আর যাদের এক হাতে এই এক্স রয়েছে, তারাও কিন্তু শারীরিক ভাবে বেশ শক্তপোক্ত। ভালো নেতা হতে না পারলেও শরীর নিয়ে এরা সুখী। রোগভোগ বিশেষ এদের হয় না।

কিডনির পাথর থেকে বাঁচতে হলে শুধু ২টি কাজ করবেন !

আমাদের দেহের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি। এছাড়াও শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া।

কিন্তু ঠিক কি কি কারণে কিডনিতে পাথর হওয়া রোধ করতে পারবেন, জানেন কি? আসুন জেনে নেয়া যাক কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে, যা হয়তো আপনার জানা নেই।

কাচা লবন খাবেন না

অনেকেই খাবারে লবণ খান যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কারণ লবণের সোডিয়াম খুব সহজে কিডনি দূর করতে পারে না এবং তা জমা হতে থাকে কিডনিতে। এছাড়াও অতিরিক্ত সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের কারণেও কিডনিতে পাথর জমার সম্ভাবনা বাড়ে।

পানি পান করুন

কিডনির কাজ হচ্ছে দেহের বর্জ্য ছেঁকে দেহকে টক্সিনমুক্ত করা। আর এই কাজটি কিডনি করে পানির সহায়তায়। যদি আপনি পানি পরিমিত পান না করেন তাহলে কিডনি সঠিকভাবে দেহের বর্জ্য দূর করতে পারে না যা কিডনিতে জমা হতে থাকে পাথর হিসেবে। সুতরাং পরিমিত পানি পান করুন।

সৌদি প্রবাসী জোছনার ‘২১২ নম্বর ছেলেটি’ সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন……

কমলাপুর স্টেশনের সেই ছেলেটির নাম ২১২ নম্বর,
শ্যামলা, মায়াময় চেহেরার ছেলেটির বয়স বারো বা তেরো।

ইস্, বিল গেটসের কথা মনে পড়ে গেল,
কোথায় থেকে কী।

ভাবতে ভাবতে পথ চলতে শুরু করলাম, তাও ২১২ নম্বরের পেছনে ছুটছি,
এই নামে ডাকতে বিবেক নাড়া দিচ্ছে।
এক সময় ওর পাশে বসে পড়লাম।

ম্লান হেঁসে বললাম, নামটা কি জানতে পারি?
পেছনে ঘুরে জার্সির নামটা দেখিয়ে দিল।
আমি বললাম, একটা নাম আপনার থাকতেই পারে।

আপনি ডাকতে শুনে ছেলেটি অট্টহাসিতে……
আমি মুখ ভার করে নিচের দিকে তাকিয়ে আছি।
ছেলেটা বুঝতে পেরে, দুঃখিত আপু।

আসলে আমাদের কোনো নাম হয় না, কেউ তুমি বা আপনি বলে না।
আমার একটা অভ্যাস, সেই যেই হোক আপনি করে সম্বোধন করা।

মাঝেমধ্যে রিকশাচালকও অবাক হয়।
আমার কথা থাক…

আপু! নিজের অর্জন বলতে আমার কাছে এইটুকু ২১২ নম্বর এই নামটি। এই স্টেশনের সবাই চেনে।
পৃথিবী সত্যি বৈচিত্র্যময় আমাকে প্রায় ভাবিয়ে তুলে।
আপু! আমাদের ইচ্ছে, পূর্ণতা বলতে কিছু নেই।

আপনার শপিংয়ের প্যাকেটের বাইরে যে কাগজটা আছে নিশ্চয় অপ্রয়োজনীয়! যদি কিছু মনে না করেন আমাকে দিতে পারেন।

কিছু না বলে দিয়ে দিলাম।

সুন্দর একটা উড়োজাহাজ বানিয়ে আকাশে ছুঁড়ে দিল। আপু, আমাদের স্বপ্ন এতটুকু।
ওই যে হাতে থালা নিয়ে বুড়ো খালা যাচ্ছে তার চাহিদা কী জানেন?
এক মুঠো ভাত, আর কাঁচামরিচ হলেই দিনটা চলে যায় পরম তৃপ্তিতে।

আমাদের আবার তৃপ্তি কিসে?
আমাদের সন্তুষ্টি কোথায়?

আমরা দেখি বিল গেটস কে, তার সফলতায় খুশিতে খুশি হয়।
আর যখন দেখি আমাদের মতো বয়সের ছেলেরা মাদকে আসক্ত হয়ে ফুটপাতে পড়ে থাকে।
অন্তত ভাগ্যে বিল গেটস কে এই অপরাধ থেকে দূরে রেখেছে।

আমি চমকে উঠলাম, অসাধারণ কথাগুলো শুনে খুব বেশি জানতে ইচ্ছে হচ্ছিল পড়ালেখা কত দূর করেছে।
ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও করি না।

জানো আপু! একদিন আমার জুতাগুলো মসজিদ থেকে কেউ একজন নিয়ে গেছে। কাউকে দুঃখের কথা বলতে পারি না, এক পাশে গিয়ে খুব কাঁদলাম।

চিন্তা করে দেখলাম আমাদের আশপাশের অনেকের পা নেই, ওদের তো জুতা পরাও হয় না, আমার পা আছে ভবিষ্যতে জুতা পরার সুযোগ তো আছে।
সত্যি ওর বড় মন মানসিকতা দেখে আমি অবাক হচ্ছি।

আমাদের মতো যারা আছে ক্ষুধার জ্বালায়, লালা ঝরে দুই টাকা কামাই করে ভাত পেটে দেয় না নেশা করে।
এই বিষ কারা ছড়িয়ে, ছিটিয়ে দিচ্ছে?
কুকুরের পাশে ঘুমে বিভোর শিশু দিন-রাত, সহস্র বছর কাটে আমাদের এভাবে।

ইট, পাথরের গড়া মানুষগুলোর ঘরে যখন আমরা উল্লাস দেখি, লালসা, কামনার কোষাগারে তৃপ্তির জায়গায় আঘাত হানে এক নিদারুণ ব্যথা।
আমি চোখ মুছতে লাগলাম।

আমি স্পষ্ট দেখতে পারছি ছেলেটির বুকের পাঁজরে গাঁথা চিরন্তন কষ্ট।
ফুটপাতে মানুষগুলো কুকুর জড়ায়ে যখন ঘুমে বিভোর, তখন আমি বিল গেটসকে সামনে নিয়ে আসি কল্পনায়।
হঠাৎ চিৎকার শুনি এই ২১২ নম্বর এদিকে আয়।

তখন স্বপ্ন ভেঙে যায়।
কেউ একজন ডাক দিল ২১২ নম্বর বলে।
আপু! আবার দেখা হতে পারে।

এই বলে ছেলেটি দৌড় দিল, আমি তার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইলাম আর ভাবতে লাগলাম।
ঝিমিয়ে গেছে আমাদের মানবতা, ওদের করুণ চাহনিতে ভিজাবে না আমাদের বিবেকসত্তা!

কেউ ছুঁয়ে দেখবে না ওদের চামড়ার ভাজে ভাজে কত ঘৃণা লুকায়িত।
চোখের মণিতে কিছু প্রশ্ন আর অসহায়ত্ব স্পষ্ট।
আমরা চেতনাহীন!

আমাদের বিবেকের চার দেয়ালে ঘুটঘুটে অন্ধকার।
আমার কখন জাগব, কি জানি!

ঘুমন্ত মহাশক্তির আড়ালে আমাদের বিবেক দণ্ডায়মান।
আর আমার কানে বারবার বাজতে লাগল, ছেলেটির বলা কথাটি বিল গেটস বেঁচে গেছে এই কুৎসিত, অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজ থেকে।
হাজার অপরাধ থেকে।

Facebook Comments