আবারও বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম

আবার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা (কিওঘ) বিদ্যুতের পাইকারি দাম বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫ টাকা ১৭ পয়সা। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা খুচরা বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭ টাকা ১৩ পয়সা। আগামী মা'র্চ মাস থেকে এ বাড়তি দাম কার্যকর হবে। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞ'প্ত িতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগু'লেটরি কমিশন। বিজ্ঞ'প্ত িতে বলা হয়, বিদ্যুতের একক ক্রেতা হিসেবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) বিদ্যমান পাইকারি মূল্যহার ভারিত গড় ৪ দশমিক ৭৭ টাকা/কিওঘ থেকে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ দশমিক ১৭ টাকা/কিওঘ পুনঃনির্ধারণ করেছে।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিজিসিবি) সঞ্চালন ব্যয় বিবেচনায় বিদ্যুতের বিদ্যমান সঞ্চালন মূল্যহার দশমিক ২৭৮৭ টাকা/কিওঘ থেকে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়িয়ে দশমিক ২৯৩৪ টাকা/কিওঘ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যুতের পুনঃনির্ধারিত পাইকারি ও সঞ্চালন মূল্যহার এবং বিতরণ ব্যয় বিবেচনায় বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা/কোম্পানিসমূহের বিভিন্ন গ্রাহক শ্রেণির বিদ্যমান খুচরা বিদ্যুৎ মূলহার ভারিত গড় ৬ দশমিক ৭৭ টাকা/কিওঘ থেকে ৫ দশমিক ৩ করে ৭ দশমিক ১৩ টাকা/কিওঘ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিতরণ/উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগু'লোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানির আয়োজন করে এনার্জি রেগু'লেটরি কমিশন। সেই শুনানির রায় আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশ করল এ কমিশন।এর আগে ২০১৭ সালের নভেম্বরে বিদ্যুতের দাম বাড়ায় সরকার।

আজকের আলোচিত খবর… ইমিগ্রে'শন হচ্ছে না ওমর'াহ যাত্রীদের, ৫ ফ্লাইটের যাত্রী আট'কা। প্রাণঘা'তী করোনাভাইরাসের প্রভাবে ওমর'াহ যাত্রী ও মসজিদে নববী ভ্রমণকারীদের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে সৌদি সরকার। বুধবার রাতে এক বিবৃতির মাধ্যমে হুট করেই এই সি'দ্ধান্ত নেয় তারা। সৌদি সরকারের সি'দ্ধান্তের কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে
বাংলাদেশের কোনো ওমর'াহ যাত্রী সে দেশের উদ্দেশে রওনা 'হতে পারছেন না। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আট'কে দেয়া হচ্ছে তাদের।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রে'শন বিভাগের ভারপ্রা'প্ত কর্মকর্তা (ওসি-ইমিগ্রে'শন) জাগো নিউজকে বি'ষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন এয়ারলাইন্স থেকে আমা'দের ওমর'াহ ভিসা'প্রা'প্ত যাত্রীদের ইমিগ্রে'শন না করানোর মৌখিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তবে সেসব দেশের শ্রমিকরা যেতে পারছেন। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮৩, কাতার এয়ারওয়েজের কিউআর-৬৪১, এয়ার এরাবিয়ার জি৯-৫১৮, সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি-৮০৯ এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-০৪৯ ফ্লাইটে প্রায় ৩ শতাধিক ওমর'াহযাত্রীর জেদ্দা ও ম'দিনা যাওয়ার কথা ছিল। তবে সৌদি সরকারের হঠাৎ সি'দ্ধান্তে তারা শাহজালালে এসে ভোগান্তিতে পড়েছেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক উইং কমান্ডার এ এইচ এম তৌহিদ-আল-আহসান জাগো নিউজকে বলেন, ‘ওমর'াহ যাত্রীরা সৌদিতে গিয়ে ঢুকতে পারবেন না বলে শুনেছি। তাই তাদের বাংলাদেশেই রাখা হচ্ছে।’

বিমানবন্দর এপিবিএন সূত্র জানায়, সকাল থেকে অনেকেই ওমর'াহ করার প্রস্তুতি নিয়ে এসে 'হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কেউ আবার বিমানবন্দরেই অবস্থান করছেন। ভোরে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের দুবাই হয়ে জেদ্দা যাওয়ার কথা ছিল ওমর'াহযাত্রী আব্দুস সোবহানের। ইমিগ্রে'শন অফিসার তার ভিসা দেখে তাকে ফিরিয়ে দেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমা'দের আগে থেকে কিছু বলা হয়নি। আমর'া যশোর থেকে ঢাকা এসেছি। কখন যেতে পারবো, টিকে'টের টাকা ফেরত পাবো কি না তা এখনো নিশ্চিত না।

বুধবার রাতে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, সৌদি আরবে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় যারা ওমর'াহ করতে চাচ্ছেন বা ম'দিনায় মসজিদে নববীতে যেতে চাচ্ছেন তাদের প্রবেশাধিকার অস্থায়ীভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এ বি'ষয়ে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গো'লাম মসীহ জাগো নিউজকে বলেন, সৌদি আরবে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। ফলে সৌদি সরকারের পরবর্তী নির্দেশনা ছাড়া বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এই সি'দ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, সৌদি সরকার নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে যে সি'দ্ধান্ত নিয়েছে তা আমা'দের মানতে হবে। কবে ওমর'াহ যাত্রীরা পুনরায় সৌদিতে ঢোকার সুযোগ পাবেন, সেটা দেশটির সরকারের ওপর নির্ভর করছে। গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথমবারের মতো ধ’রা পড়ে করোনাভাইরাস। এখন পর্যন্ত এটি বিশ্বের অন্তত ৪৩টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। অবশ্য বাংলাদেশে এখনও কেই এ ভাইরাসে আ'ক্রান্ত হননি। তবে সিঙ্গাপুরে কয়েকজন বাংলাদেশি এ ভাইরাসে আ'ক্রান্ত হয়ে সেখানকার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আ'ক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজার ৯৬৭ জন এবং মা;;রা গেছেন ২৮০৪ জন।