ক্রিকেট বিশ্বের ‘ক্রাশ’ বাংলাদেশের জাহানারা, কে এই জাহানারা?

আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে ১৮ রানে হারিয়েছে ভারত। শেফালি ভার্মা'র শক্তিশালী ইনিংস এবং পুনম যাদবের স্পিন যাদুতেই দুর্দান্ত জয় পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু ম্যাচ উইনারদের ছাপিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশের জাহানারা আলম। খেলা চলাকালীন ক্রিকেটপাগলদের বারবার চোখ গেছে তার দিকে। কিন্তু কেন? প্রতি ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও তাঁর চোখ ছিল কাজল কালো! কাজল নয়না হরিণী হয়েই ব্যাট-বোলিং ফিল্ডিং করেন তিনি। স্বভাবতই সবার চোখ গেছে তাঁর দিকে।

তা রিতিমত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। নজরকাড়া পারফরম করতে না পারলেও জাহানারার বেশভূষার প্রশংসা করেছেন অনেকে। সাংবাদিক ও ধা'রাভাষ্যকার মেলিন্ডা ফেরালের টুইট, আমি জানতে চাই কোন আইলাইনারের জাদুতে সবার চোখের মণি সে! তা হলে আমিও লাগাব। কু'প্ত ান নামে একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন- যাই বলুন, ম্যাচের ক্রাশ ছিলেন জাহানারাই। সর্বোপরি সবাই জাহানারার চোখের জাদুতে মুগ্ধতার কথা জানাচ্ছেন নানাভাবে।

আজকের আলোচিত খবর… যে কারণে মিরপুরের মাঠ থেকে বের করে দেয়া হলো সাকিবের সব ছবি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে আজ দ্বিতীয় সেশনে সাকিব আল হাসানের উপস্থিতি ছিল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে! তবে শারীরিক উপস্থিতি ঠিক নয়, একটি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পণ্যদূত হওয়ায় বাঁ হাতি অলরাউন্ডারের ছবি শোভা পাচ্ছিল মাঠের চারদিকে বসানো অসংখ্য ছাতার মধ্যে। তবে আজ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে হঠাৎ খুলে নেওয়া হলো সাকিবের ছবিসংবলিত সব ছাতা।

মাঠের চারপাশে বাকি সব স্পনসরের ছাতা থাকলেও হঠাৎ এ ছাতাগু'লো তুলে নেওয়ার কারণ কী? এ সময় ছাতা খুলে নেওয়ার দায়িত্বে থাকা এক কর্মী জানালেন, সাকিবের ছবি থাকার কারণে খুলে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে সাকিব যে প্রতিষ্ঠানের দূতিয়ালি করছেন, সেটির একাধিক বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং স্টেডিয়ামের চার দিকে আছে। সমস্যাটা সাকিবের ছবিতেই। এ ব্যাপারে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস বললেন, ‘সাকিবের ছবি থাকা এক কারণ 'হতে পারে। ভেন্যুতে কিছু বিধি-নিষে'ধ আছে।

আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলার সময় ভেন্যুতে নি'ষি'দ্ধ খেলোয়াড়কে দিয়ে কোনো প্রচারণা করা যাব'ে না। ঠিক এ কারণেই কিনা, এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে 'হতেও পারে। ফুটবল মাঠে হলে হয়তো এখানে কিছু বলার ছিল না। আন্তর্জাতিক ক্রিকে'টে সম্ভবত হবে না।’ এদিকে গত বছরের অক্টোবর থেকে আইসিসির নিষে'ধাজ্ঞার কারণে এক বছরের জন্য যেকোনো ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে সাকিবকে। এমনকি আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলার সময় মাঠে আসার ব্যাপারেও বিধিনিষে'ধ আছে সাকিবের।