বিয়ের প্রলোভনে স্বামী-স্ত্রীর মত সম্পর্ক, অনশন

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে অনশন করছে ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ৩য় বর্ষের এক ছাত্রী সাদিয়া আফরিন রিয়া (১৯)।

শনিবার (৩১ আগস্ট) রাত থেকে ধনবাড়ী উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের দরিচন্দবাড়ী দক্ষিণপাড়া গ্রামের প্রেমিক এমএ মুছা অভি (২২) এর বাড়ীতে অনশন শুরু করেছে।

সাদিয়া আফরিন রিয়া ময়মনসিংহ ভালুকা উপজেলার দৌলদিয়া গ্রামের আমির হোসেন শেখের মেয়ে ও এমএ মুছা ধনবাড়ী উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের দরিচন্দবাড়ী দক্ষিণপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। জানা যায়, মুছা ঢাকায় একটি কোম্পানীতে চাকুরী করেন।

পারিবারিক সূত্র ও সাদিয়া থেকে জানা যায়, ৩ বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সস্পর্ক চলে আসছে। বিভিন্ন সময় সরলতার সুযোগ নিয়ে বিয়ের প্র’লোভন দেখিয়ে প্রেমিক মুছা তার সাথে স্বামী-স্ত্রীর মত সম্পর্ক করে আসছিল। সম্প্রতি তাকে একাধিকবার বিয়ের জন্য চাপ দিলে বিভিন্ন অজুহাতে মুছা সময় কালক্ষেপণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে সে বিয়েতে অস্বীকৃতি জানালে বেশ কয়েকদিন যাবত মুছা তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এমতাবস্থায় সাদিয়া কোন উপায় না পেয়ে মুছার বাড়ীতে এসে শনিবার (৩১ আগস্ট) রাত থেকে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে।

এ সময় মুছার বাড়ীর লোকজন তাকে অনশন থেকে সরাতে চাইলে সাদিয়া আত্মহ’ত্যার হুমকি দেয়। অবস্থা বেগতিক দেখে প্রেমিক মুছা গা ডাকা দেয়। এ দিকে অনশনরত মেয়েটি বলেন, স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে সে কথা বলতে আগ্রহ প্রকাশ করলেও ছেলে পক্ষের লোকজন কথা বলতে বাঁধা প্রদান করে এবং মেয়েটিকে টেনেহিছঁড়ে ঘরের ভিতর নিয়ে যায়।

স্থানীয় মাতাব্বর ওয়াজেদ আলী ও পাইস্কা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন খান এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ বি’ষয়ে আগেই পত্রিকায় লেখালেখি না করতে অনুরোধ জানান। বি’ষয়টি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানে বলেও স্থানীয় সাংবাদিকদের জানানো হয়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মেয়েটিকে তাড়ানোর পায়তারা করছেন তারা।

ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মজিবর রহমান জানান, এ বি’ষয়ে আমাকে কেউ জানায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সা’পেক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।