১ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় ফাঁ’স হয় ডিসি’র ভিডিওটি

শা*সনের ঊর্ধ্বতন কর্মক’র্তাদের বি’রুদ্ধে একের পর নারী কেলেঙ্কারির অ’ভিযোগ উঠলেও খুব কম ক্ষেত্রেই শা’স্তি পাচ্ছেন তারা। মাঠ প্রশা*সনের শীর্ষ কর্মক’র্তা ডিসি, ইউএনও ও এসিল্যান্ডের নামে জনপ্রশা*সন মন্ত্রণালয়ে প্রায়ই যৌ’ন হয়’রানি ও যৌ’ন স’ম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করার লিখিত অ’ভিযোগ দিচ্ছেন তাদের সহকর্মী ও সেবাগ্রহীতা নারীরা।

যৌ’ন হয়’রানির প্রতিকার চেয়ে আ’দালতে মা’মলার ঘটনাও ঘটেছে। তবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা বিভাগীয় ত’দন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিবেদন জনপ্রশা*সন মন্ত্রণালয়ে পাঠালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

ত’দন্ত হয় কেবল নামেই। জনপ্রশা*সনে এসব গুরুতর অ’প’রাধের জন্য সর্বোচ্চ শা’স্তি ‘ওএসডি’। জনপ্রশা*সন মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জামালপুরের জে’লা প্রশাসক আহমেদ কবীরের বি’রুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির দুটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রোববার তাকে বদলি করে ‘বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা’ (ওএসডি) হিসেবে পাঠানো হয়েছে জনপ্রশা*সন মন্ত্রণালয়ে।

এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (জে’লা ও মাঠ প্রশা*সন অধিশাখা) মুশফিকুর রহমানকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের ত’দন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অথচ জামালপুরের এই ডিসিকে চলতি বছর বিভাগীয় পর্যায়ে সেরা হিসেবে শুদ্ধাচার পুরস্কার দিয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগের তৎকালীন কমিশনার মাহ্‌মুদ হাসান।

ওএসডি হওয়ার আগে শনিবার মধ্যরাতে একটি মাইক্রোবাসে করে সপরিবারে জামালপুর ছেড়েছেন ওই জে’লা প্রশাসক। ওই কেলেঙ্কারিতে জ’ড়িত ডিসি অফিসের নারী কর্মচারীও নিখোঁজ থাকলে পরে সোমবার অফিসে আসেন তিনি।

এদিকে ভিডিও ভাইরালের পর অফিস সরকারী নারীর সাথে কি আপনার যোগাযোগ হয়েছে? এমন এক প্রশ্নে আহমেদ কবির বলেন, হ্যাঁ, আমা’র সাথে ওনার পরিবার ও ওনার কথা হয়েছে। তিনি থা*নায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তিনিও এই ঘটনার সুষ্ঠু ত’দন্ত চায়।

জে’লা প্রশাসকের বাহিরে আপনি একটি পরিবারের অবিভাবক। এই ঘটনার পর আপনার পরিবারে কি কোন ধরণের আ’ঘাত পড়েছে?

না, আমা’র পরিবারে কোন ধরণের আ’ঘাত পড়েনি। আমা’র পরিবারকে বুঝিয়েছি বি’ষয়টি। প্রশা*সনিক ভাবে কি আপনার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছ? এই ঘটনার কি ত’দন্ত হবে?

আমা’র সাথে বিভিন্ন উপর মহল থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। জানতে চেয়েছেন। আমি সঠিকটি বলেছি। এরপর কোন ধরণের ত’দন্ত হবে কিনা আমি বলতে পারছি না।

তিনি জানান, ফেসবুক আইডি ব্যবহারকারীরা গত ১২দিন ধরে আমা’র কাছে প্রথমে ৫০০ ডলার এরপর বাংলা টাকা ১ লাখ দাবি করে। আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি। এরপর ভিডিওটি প্রকাশ করে দেওয়া হয়।

যে ভিডিওটি প্রকাশ হয়েছে সেটা কি জে’লা প্রশাসকের আওতাধীন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না, এটা আমাদের আওতাধীন না। সেখানে কি করে সিসি ক্যামেরা আসলো আমি বলতে পারবো না। আমা’র অফিসের কেউ ষড়যন্ত্র করেছে আমা’র বি’রুদ্ধে। আমি এর সুষ্ঠু ত’দন্ত চাচ্ছি।

জামালপুরের জে’লার অ’তিরিক্ত জে’লা প্রশাসক(সার্বিক) রাজীব কুমা’র সরকার বলেন, এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন মহল থেকে আমা’রা যারা চাকরিতে কর্ম’রত রয়েছি তাদের কাছে ফোন আসছে, জানতে চাওয়া হচ্ছে। যেটা আমাদের জন্য লজ্জাকর। আম’রা বিব্রতকর পরিস্থিতি পড়েছি। এমন ঘটনা আমাদের জন্য কাম্য ছিল না।

জামালপুরের জে’লার উপপরিচালক মোহাম্ম’দ কবির উদ্দীনের কাছে এ বি’ষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বি’ষয়ে কথা বলতে চাই না।